"না না না না ,বাজে বকে লাভ নেই ভাই। নাও ধরো। ওহ সরি ,তোমার তো আবার ওসব চলে টলে না। সিগারেট চলে তো,নাকি সেটাও..বাকি কথাটুকু অট্টহাস্যের তোড়েই ভেসে গেল। আমার মিউজিক ডিরেক্টর খুব চালু ছেলে,বুঝলে? ও বল্লো যে ,সেভেন্থ সিম্ফোণী নিয়ে বাঙলায় তেমন কাজ নাকি এখনো হয়নি টয়নি। হাহাহাহা! বাঙলা তো এখনো সত্যজিত মৃনাল আর ঘটকের শৈশবেই আটকে,না কি বলো? বহুচর্চিত বিষয় ,বুইলে কিনা ,ঠিকঠাক লাগাতে পারলে...হাহাহাহা!
আর শুনলুম
তুমিও বেশ ভালই ল্যাখোট্যাখো। তো ওই পাবলিশার দত্তদা বল্লে তোমার কথা,
আররে ভায়া ,শুনেছো কোনদিন কবিতা লিখে কারো পেট ভরেছে? গান লেখো ভায়া গান....পরিশেষে আবার একটা সুদীর্ঘ হাহাহাহা....
#
ব্যস্ত দুপুর ,সটাসট সরে যাচ্ছে সরকারি বাস,পেছনে বিভিন্ন উপদেশ সম্বলিত নাশন্যাল পারমিটওয়ালা লরি, প্রাইভেট কার। পুজোর আর কদিনই বা বাকি,কাজেকাজেই বেশ হেলথি রকমের ভিড়। ভিড়ের মধ্যে থেকেই চাক্কুর মত চমকে উঠলো একঝাঁক টিনেজ চিৎকার-"ওহ মাই গড!ওই দ্যাখ দূর্বাদল ব্যানারজী যাচ্ছে।
কোন দূর্বাদল রে, সিটি কলেজের না প্রেসিডেন্সির?
ধ্যেত! আরে ইয়ং সেন্সেসন, সেই কমিউনিটি হলে আলাপ হল না,মনে নেই?
ওহ!দ্য কবিই ই ই ই ই ই ই "
ইলাস্টিসিটির চুড়ান্ত সীমা পার হয়ে শব্দটা ধাক্কা খেতেখেতে জঞ্জালের স্তুপের উপর পাক খেতে থাকা মাছিদের ভনভনানির কোল ঘেঁষে ফুচকা-স্টলের পাশ দিয়ে ড্রিবল করতে
করতে একটা গ্লাক্সোবেবি টাইপের ফ্যাটসো জ্যামের সামনে এসে খোয়ারিকে ইয়া একটা সট মারলো রুটিনপায়ে,
ঘ্যাঁচ ঘাঁচ করে লাগাতার ব্রেকের শব্দ,ট্র্যাফিকপুলিসের হাত কন্টিনিউ উঠছে আর
নামছে।"ধ্যুর বাল!একে তো ভয়ংকর রকমের রোদ আর গরম,তার উপর কালেকশন কম ,আর পাব্লিকও যা রগচটা হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন....
ছাতার নিচে কোঁকড়ানো চুলে ঢাকা ঘাড় থেকে মেরুনমেরুন টপের গভীরে লবনের স্রোত ভাঙার শব্দ।সামনে একটা
বিয়ার বারে গলগল করে লোক ঢুকছে আর বেরুচ্ছে। ঠিক রাস্তার ওপারে চটি পেতে বসে একটা চিরবিষণ্ণ চেহারার বুড়ো তরমুজ তরমুজ বলে প্রাণপণ চেল্লাচ্ছে। রিকশা থেকে কুতকুতে চোখের তীর একটা ট্রাকের জানলায় গিয়ে ক্লোস আপ নিতেই ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা চাইনা ফোনে শ্রিল ভোজপুরি গায়িকা অদ্ভুত আলাপ শুনে স্কুটি থেকে মাটিতে পা নামালো একটা বড্ড চেনা স্টাইলের কনভারশেসন- "দ্যাখো সোনা,ভীষণ জ্যামে ফেঁসে গেছি গো। আর মিনিট দশেক ওয়েট করতে পারবে না? প্লিয বস,একটু বোঝ ,একটা পাঁচ বাজছে তারপর যা গরম ,ব্লা ব্লা ব্লা ...
দ্য নাম্বার ইউ আর ট্রাইং টু রিচ ইজ কারেন্টলি সুইচড অফ ...যাহ!
ধ্যেত শালা!সব সময় নকশা ,রাগলে রাগ ,মরগে ,আমার কি!
জানি সব জানি। এখন নিশ্চয়ই কোন এলেমদার লাভার এসে জুটেছে।এখন এই ছা পোষা কলমপেষা কেরানির প্রেমে কি আর তোমার পোষাবে,ধন! শালা! পুরো দুনিয়াটাই ছিনাল ,বাল!
চায়ের দোকানের সামনে লম্বা ভীড়ের কুটি শব্দসমেত ভেসে আসছে। হ্যাঁ ,চা বিস্কুট হোলো,আর কি ,বলুন ,পান?জর্দা না মিষ্টি? না না ,খুচরো দিন ,খুচরো দিন,এই বাজারে খুচরোর যা আকাল!
#
মিউজিক ডিরেক্টর তনুজ তনয়ের স্পষ্ট নির্দেশ গানের কথা যেন জোরদার হয় ,মানে ওই গুরুগম্ভীর সেভেন্থ সিম্ফোণীর সাথে যেন শব্দের কৌলীন্যও খাপ খেয়ে যায়। আনকোরা কবির তো ভাবতেও ভয় করছে। বিটোফেন তো দূরের কথা বাপের জন্মে কোন দেশী বা বিদেশী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ধারেকাছেও যাননি। বিদেশী সঙ্গীতের ধারণা ওই জ্যাকসন আর হালফিলের ব্রিটনি স্পিয়ার্সে গিয়েও ফুল স্টপ। পরিচালক নিখিলেশ সোম অবশ্য আগরওয়ালের সাথে তাকেও এম.পি.থ্রিটা বাজিয়ে শুনিয়েছিলেন,কিন্তু.....
''সুতরাং বুঝতেই পারছেন এক্সপেকটেশনটা কি হাই থাকবে! আসলে কি জানেন,ইট ইজ ওয়ান অফ দ্য ফাইনেস্ট ওয়ার্কস ওয়ান কুড ইমাজিন,বিটফেনের নাম উঠলেই সেভেন্থ সিম্ফনির নাম উঠবেই।'' বলেই , হাওয়াতেই গিটার বা কিছু একটা তার যন্ত্র বাজালেন সঙ্গীত পরিচালক, কবির অবশ্য মনে হল, যেন হাত দিয়ে একটা নিটোল ফাঁস তৈরি করলেন তনুজ।
#
ততক্ষণে জ্যাম জমিয়ে দিয়েছি কলেজফেরত একগোছা ব্যাগের নাচোনকোদন।"রেড টিউব",খ্যাখ্যাখ্যা!দিব্যি মাগনায় লাইভ পর্ন বাবা!
ডোন্ট বি সিলি,দীপেশ। ইটস নট আ ফান আট অল।
এতগুলো মানুষ ক্যাবলা মেরে গেছে ,ফান নয় তী কি ব্রো?
রাজা রাজা!স্পিরিটটা দ্যাখ একবার ,ক্যান উই ডু ইট?
হোয়াই নট?আইভ দ্য গাটস। দেখিস নি,সেদিন জয়িতাকে কেমন মুখে উপর বলে দিলাম ,আমার এখন আর ওকে সেক্সি মনে হয়না .সো শি ক্যান মেরিলি গো টু হেল! হাহাহাহা!
ও সব বাদ দে। কিছু ফুডস্টাফস নিয়েই ভিতরে ঢুকতে হবে ,নইলে
ইডেনের ভিতরের খাবারের যা হাল!ই বাবা!ভাবলে বমি আসে
আমার্।
সন্তুর খবর কি বে?
ও বোধহয় ফার্স্ট ইনিং দেখতে পাবে না। টিউশন হয়ে আসবে তো।তারপর....
শিটস!!!!
সম্ভবত কারো সানগ্লাস কালো পিচের উপর পরে একটা ধাতব শব্দ করলো।স্পাইক থেকে চিল মারছে আলোর আয়না,পাশেই "দিন বাবু,দিন বাবু" ঐকতানে মিলেমিশে যাচ্ছে রিক্সার হর্নে নুলো ভিখারীটার অভ্যস্ত প্রলাপ । কবির মাথায় তখন সেই অচিনপুরের স্বপ্নরাজ্য থেকে ছিনিয়ে আনা সেভেন্থ সিম্ফোণী পরিণত ভ্রুনের মত নড়েচড়ে বেড়াচ্ছে।
#
"প্রথমেই বলেছিলাম এই অল্প মাইনেতে আমাকে শহরে নিয়ে আসার দরকার নেই ,কিন্তু কেউ শুনলে আমার কথা !কিছু বল্লেই বলবে -"তুমি এখনও গাঁঈয়াই রয়ে গেলে ,সুদীপা।'' বেশ আছি ,ভাল আছি ,আমি গাঁইয়া থাকলে কার বাপের কি ,শুনি?
বাবু তো সাতসকালে অফিস ছুটবেন।যত মরণ হয়েছে আমার ,এই রোগা ছেলেকে নিয়ে একবার হাসপাতাল ,একবার ক্লিনিক ,
আর পারিনা বাবা!তারপর মরা শহরে কথাবার্তা নেই জ্যাম লেগেই আছে।মর মর!
আধখানা ঘোমটার মধ্যে থেকে অভিশাপটা ঠিক কোনদিকে গেল,বোঝা গেল না।
ট্যাক্সিটা কিন্তু নাকবরাবর আসতে গিয়ে জ্যামে আটকে গেল। কবি সাধারণত পায়ে হাঁটতেই পছন্দ করেন কিন্তু আজ কলম বিক্রি করবেন বলে কথা দেওয়াতে পকেট একটু গরম। গ্লানির পাশাপাশি মনেও যে এট্টুএট্টু শৈশব আসেনি তা নয়!
নিখিলেশবাবু একথোকে দশ হাজার টাকা দিয়েছেন।( বাপরে বাপ ,কত্ত টাকা এদের কে জানে! )শাড়ি টারি একটা কিছু যাওয়ার পথেই কিনে নিতে হবে। অনেকদিন থেকে বৌটাকে কিছু দেওয়াই হয়নি। আর শ্রীগুরু মিষ্টান্নভান্ডার থেকে কিছু মিষ্টি ,চুলোয় যাক সব। ওই লিটল ম্যাগ আঁকড়ে থাকলে না খেয়ে মরতে হত। যা হয়েছে ভালই হয়েছে। জ্যাম কাটলে দত্তদার দোকান ,বেশ কিছু প্রুফরিডিঙের কাজ
বাকি পড়ে আছে। ওখান থেকে স্ট্রেট বাড়ি।
এদিকে একটা স্কুলবাসের ভিতর থেকে এই পৃথিবীর সমস্তকিছুকে ভেঙচি কাটছে লাললাল ইউনিফর্ম পরা চারাগাছ,ওয়াটার বোতলের দোলনের সাথে রাস্তায় বাওয়ালী করে বেড়ানো গুন্ডা ষাঁড়টার বেপরোয়া চালচলন রিলেটেড কিনা ভাবতে ভাবতেই কবি স্যূট করে ট্যাক্সির ভাড়াটা মিটিয়ে দিয়ে হাঁটতে শুরু করলেন। রোদটাও যেন ক্যামন কমকম লাগছে। গ্রামের বাড়িতে প্রতিমার গায়ে কানি উঠে গেছে এতদিনে। মজা খালের আসেপাসে কাশে'র দৌরাত্ম্যে নীলচে আকাশও সাদার দৌড়ঝাঁপ ,শহরেও বিভিন্ন মিউজিক কোম্পানির শারদ বিজ্ঞাপনের পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ। অথচ আজকের আগে এসব চোখেই পড়েনি তেমন করে।খুশিখুশি দুকলি গানও জিভের ডগায় এসে কুটকুট করতে লাগলো। নানা, গানের গলাটাও নিতান্ত মন্দ ছিলনা তো, অভ্যেস করলে হয়তো....
তাই বলে সেভেন্থ সিম্ফনি!উরে বাপস!
#
ট্র্যাফিক কন্ট্রোল ,ট্র্যাফিক কন্ট্রোল , কি ব্যাপার কি বলুন তো। এই অসময়ে জ্যাম কেন? জলদি ঝামেলা মেটান মশাই, ওই রাস্তা দিয়েই খাদ্যমন্ত্রির কনভয় যাবে। বি কুইক,বি কুইক।
আর বলবেন না, স্যার। এই সিজনটাই কুকুতগুলো যা জ্বালায় না, কি বলব আপনাকে! ওপেন রাস্তায় টিনেজ ছোঁড়াছুঁড়িগুলোর মত শুরু হয়ে গেছে। একসঙ্গে প্রায় দশ বারোটা ,স্যার, সরানো যাচ্ছেনা,স্যার, কিছুতেই সরানো যাচ্ছেনা। ইদিকে আমাকেও আবার বাবাকে নিয়ে একটু মেন্টাল হোমে যেতে হত, ধ্যুর ভাল্লাগে না, কিচ্ছু ভাল্লাগেনা।
আরে ওসব চালাকি ছেড়ে যেহক করে জ্যাম ছাড়ান । হাতে মাত্র কয়েকটা ঘন্টা বাকি। কুকুরের প্রেম দেখলে তো চাকরি থাকবে না ,মশাই, আপনার বাবার হোমে যাওয়ার কথা ভাবলেও না ।
#
প্রুফরিডিঙের কাজ শেষ হতেই রাত আটটা বেজে গেল।সেখান থেকে কেনাকাটা করে সরাসরি ঘরে ফেরার কথা ছিল। তারপর এট্টু ফুর্তিফার্তা। দত্তদার দোকান ছেড়ে বেড়িয়ে আসার মুখেই এল কলটা। ডিফল্ট রিংটোনে নোকিয়ার কাস্টম টিউনটা বাজা মাত্রই ছিটকে ফোনের দিকে ছুটে গেলেন কবি আর হবু লিরিসিস্ট দুর্বাদল ব্যানার্জি ,অন্যদিন সচারচর এত তাড়া থাকেনা তার একঘেয়ে ফোনকলগুলো রিসিভ করারকিন্তু আজকের ব্যাপারস্যাপার একটু স্পেস্যাল কিনা!
"হেলো ,আরে আমি বলচি ভায়া"ফোনে প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক নিখিলেশ সোমের গলা গমগম করে উঠল,
"মানে তোমাকে তো বলেছিলুম যে আমার মিউজিক ডিরেক্টর খুব কাজের ছেলে ,তো ব্যাপারটা হয়েছে কি ,ও জাভেদ আখতারের সাথে কথা টথা সব বলে ফেলেছ বুইলে,মানে একটা ইন্টারন্যাশনাল সাবজেক্ট ম্যাটার কিনা ,তাই শুধু বাঙলায় কম্পোজ কল্লে একটু পাতি ব্যাপার হয়ে যেত ,ভায়া। বুইলে কিনা,হিন্দি,বাঙলা আর চলনসই ইংরেজি মিশিয়ে একটা জবরদস্ত আন্তর্জাতিক ভাষা তৈরির প্লান আর কি!তাছাড়া ভেবে দেখলুম,প্রথম প্রজেক্টেই এত ভারিক্কি কাজ দেওয়াটা তোমার উপর এট্টু অবিচারও হয়ে যাচ্ছে।হেঁহেঁহেঁ ,তবে চাপের কিছু নেই টেই ,বুইলে। টাকাটা তিনচার দিনের মধ্যে ফেরত দিয়ে দিলেই চলবে । তাছাড়া তুমি দত্তের পরিচিত মানে আমারও ঘরের ছেলে ঠিক কিনা?...হাহাহাহাহা!
#
কবি হেঁটেহেঁটে বাড়ি ফিরছেন। অদ্ভুত একটা ভ্যাপসা গরম আর অন্ধকার মিলিয়ে বেশ গুমোট পরিবেশ। অজস্র লোক ,যাদের মধ্যে অধিকাংশই অল্পবয়স্ক তরুণতরুণী ,হৈচৈ করতে করতে ফিরছে,আপাদমস্তক তিরঙায় ঢাকা এক তরুণকে গালে ত্রিবর্ণরঞ্জিত তরুণী আবেগের বশে জড়িয়ে ধরে কামড়ানোর মত করে শব্দ করে চুমু খেলো।ওদের গাড়ির পাশেই জ্যামের অঙ্গুলীহেলনে ব্রেক কষলো মর্গফেরত একটা আম্বুলেন্স ,জানলার অর্ধেকটা নামানো কাঁচের ফাঁক দিয়েইকবির চোখ পড়ল একটি ঘোমটা পড়া হাফগাঁইয়া টাইপ বৌ অন্য এক চলনসই পুরুষের কাঁধে মাথা রেখে ফুঁপিয়ে কেঁদেই চলেছে ।স্কুটির উপর দিব্যি খুনসুটি করছে মেরুন রঙের টপ আর ঈষৎ হলদে একটা ব্র্যান্ডেড শার্ট।
তরমুজওয়ালা বুড়ো আধাশোওয়া আধাবসা অবস্থায় বিড়ি ফুঁকছে আর কন্টিনিউ বিড়বিড় করে কি যেন বলছে!
সিগন্যালের লাল আলোর মানুষ,বেমক্কা লম্বা জ্যামে হেডলাইটের দাপাদাপি, কবিরও চোখ জ্বালা করছে। এই একদিনেই যেন অনেক বয়স বেড়ে গেছে। শরীরটাও ভারিভারি লাগছে, ক্লান্তিতে চোখ বুঝলেন কবি।
হঠাত তীব্র হর্নের আওয়াজে ঘোর ভাঙতেই দেখলেন আলোটা সবুজ হয়ে গেছে। হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে সামনে যাওয়ার। সুখ দুঃখ হাসি আনন্দ সমেত সমস্ত কিছুই ছুটে বেড়িয়ে যাচ্ছে চোখের সামনে থেকে।টিনেজার ছেলেমেয়েদেরমাদকতাময় বিজয়োল্লাস,চাষাবৌটির দীর্ঘস্থায়ী গোঙানি আর এই তরমুজওয়ালার মৃদু বিড়বিড়ানি মিলেমিশে কেমন যেন একটা অলীক ঐক্যতান,খুউব চেনা ,অত্যন্ত প্রিয় কোন অলৌকিক সৃষ্টি...
অনেকটা সেই নিখিলেশ সোমের স্ট্রিরিওফোনিক হোমথিয়েটারে
শোনা বিটোফেনের এম.পি.থ্রি-র মতো।
Monday, 21 October 2013
সেভেন্থ সিম্ফোণী
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment