Pages

Sunday, 22 June 2014

ভাটকথা(অ্যা জার্নি থ্রু দ্য পোয়েটিক পার্ভারশন)

ভাটকথা-এক (কবিকাহিনী)

মহাঝামেলা মাইরি! পিওর ঢপের চপ! ছুঁচোর কেত্তন!
এক পেল্লাই খিটকেল বুড়ো ভাম কিংবা বাদুড় কিংবা ভ্যাম্পায়ার,কি সাজের বাহার !মাথায় টেরি কেটে,পাঞ্জাবী ফানজাবি হাঁকিয়ে পুরো লবা ,আই মিন  লবকার্তিক সেজে  বকবক করছে তো করছেই। এদিকে দাঁত তো নেই,ধুতিতে তাঁবু খাটানোর মত জোরও নেই,কিন্তু তবুও ব্যাং খাব,ব্যাং খাব বলে ব্যঙ্গ করছে। কষা বেয়ে টুপটুপ ঝরে পরা লালা , শালা ডানায় উড়ন্ত স্বপ্ন আঁকে,লম্বা ঠোঁটে কলম ধরে কাব্যি করে..আসলে কিন্তু কাব্যি-টা বাদ দিয়ে করার ইচ্ছায় প্রবল,শিং ভোঁতা হয়ে গেছে..নখে নিজস্ব পিচুটি..উটি কিংবা বাংলাদেশ কোনো একটা জায়গা যাবেন বলে সঙ্গে ইঁদুরধরা কল,হাঁপানীর ওষুধ ও কনডম কিনে নিয়েছেন।জানেন কনডমগুলো অনর্থক কেনা,বারেবারেই নষ্ট হয়,এবারেও হবে,তবুও নিয়ম মেনে বাবু নিয়মিত কন্ডোম কেনেন আর সেগুলোকে ফু দিয়ে সেগুলোকে আকাশে উড়িয়ে দেন। সেগুলো উড়েউড়ে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার পায়ের কাছে গিয়ে পরলে তারা সেগুলোকে ভ্যাম্পায়ারের অন্ডকোষ কল্পনা করে ফটাস করে ফাটিয়ে দেন। ভেতর থেকে হাওয়া হয়ে কবিতা বের হয়..অসংখ্য অন্ড-সম্পন্ন কবির লাগেনা কিন্তু,প্রায়ই ফাটে তো,অভ্যাস হয়ে গেছে।
কবিকে আমরা মান দি,গান দি,নুড়ো দাঁতে দিয়ে শান দি,ভাত খাবার পরে শিব জর্দা পান দি।

কবি আবার ঘোড়ার মত তুষের জাবনা কাটেন আর তাই দেখে কবিকে চেনা যায়। আর যত ব্যাং আর ইঁদুরগুলোও হয়েছে মহাধুর্ত,কিছুতেই সাইজে আসেন!
একটু দৃষ্টিসুখবৈ তো নয়,খুবজোর একটু গা টেপাটেপি...
এর বাইরে আর কি পারবেন!
বয়স থাকলে....
সুরুত করে লালা গিলে ফেললেন কবিবাবু,এখন কদিন ইনবক্সে টুয়োটুয়ী চলবে ....

কবে কোন শালা হাতুড়ে ডাক্তার,কবির হাইড্রো  অপারেশন করতে গিয়ে একটা দিকে মাটির গোটা পাকিয়ে ভরে দিয়েছিলেন, সেই থেকেই একদিকে ঘাস বের হয়! জৈব-রাসয়ানিক প্রক্রিয়ায় সেই থেকেই কবির শরীরে বার্ধক্য এলেও মন চিরসবুজ!
              "ওরে নোবিন ওরে আমার কাঁচা"
যদিও পুচ্ছ নাচানো আর তার হাড়ের আয়ত্বে নেই. .দুতিনবার চেষ্টা করে দেখেছেন,ইস্টুপিড দাঁড়াতেই পারেনা,নাচবে কি?

No comments:

Post a Comment