Pages

Sunday, 22 June 2014

ভাটকথা- দুই ( হোয়াট অ্যা ফিলদি মিথ)

…আচ্ছা ওসোব আজেবাজে পাজিকথা বাদ দিলাম.এবার কিছু আড়-কথা,সার-কথা,ভাঁড়-কথা বোলি...টকিং? …সাচ এ ওয়েস্ট অফ টাইম,কিন্তু কি করবো,ছিঁড়ে আঁটি বাঁধা ছাড়া কাজও তো নেই

কাজেকাজেই কোবির কথাতেই ফিরি..শিরি শিরিমান কবি যার মেয়ে দেখলেই কোবিতা পায়,কোবিতায় লিখতে লিখতে মেয়ে পায়..আর কিছু  টেকনিক্যাল ফল্টে ,হিসি পাই,শিশি রাখা আছে সেই উদ্দেশ্যেই,
বোতলও,কিন্তু সেটা অন্য কারণে..পেটে বিদেশী

দামী আগুন গেলে চট করে নিজেকে বড় সস্তা করে ফ্যালেন.তখন তার বস্তা থেকে বিকৃতির দল গেরুয়া পরে ফক্সট্রট নাচতে নাচতে এসে ইরেকশন,ইরেকশন করে চেল্লাচেল্লি শুরু করে.
তেরি মা কি আঁখ!!তখন কবির নিজেকে কবিতার চেয়েও বড় বলে মনে হয়,প্রায় ঈশ্বর..স্রষ্টা তিনি,যদিও উর্বর্শী,মেনকা প্রভিতিদের সেক্সচ্যাটে সিডিউস করেও শোয়াতে পারেননি.বড্ড সেয়ানি শালীরা,ইসস!!
ভাগ্যিস…কারো সামনে বলেননি
হঠাত কিসের দিব্বোদিসটি পেয়ে তিনি পষ্ট দেকলেন সোততি সোততি ইস-সর(সর বে!) হয়ে গেলেন.কোবিতা ল্যাখার কলোমটা হঠাত নুনু হয়ে চড়াত করে খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে কবিরে কপালে এসে লাগলো.খেয়ালী নুনুর ডগায় লাল কালি মাখিয়ে এখন তিনি সমস্ত অবিশ্বাসী,অশ্লীল,নাস্তিকদের জন্যে একুশে ডিসেম্বরের ধ্বংস লিখবেন.

বাড়ির বাইরে অগনিত ভক্তকুকুর গলবস্ত্র হয়ে জোড়হাত করে দাঁড়িয়ে আছে,যদি একটু কৃপামিশ্রিত মুত্রের ছিটে এসে গায়ে লাগে..
একপা তুলে কিছু উনকবি গাছের বুকে চুনচুন কবিতা লিখছিল,আশা ছিল কবির স্বর্গীয় নুনু দিয়ে কিছু অটোগ্রাফ করে দেবেন.

কবি ঈশ্বর সেজে হেলতে দুলতে বাইরে এলেন.একহাতে আস্তিক্যবাদের কোঁচা অন্যহাতে শ্লীলতার ছুড়ি...
দেখলেন কুকুরের পাল কক্ষণ সিক্সটি-ফাইভ হয়ে গেছে..মন্দিরের চাতালে পরে আছে পোড়াবিড়ির টুকরো,কাগজের ঠোঙ্গা,স্যানিটারি ন্যাপকিনের …

খুঁজছিলেন..কবি কে কবি ঈশ্বর কে ঈশ্বর,কিছু খুঁজছিলেন,নিজেকে ঈশ্বর ভাবা কবি কিছু খুঁজছিলেন,
ধোপদুরস্ত ধুতিপাঞ্জাবি পরা সভ্য শ্লীল সমাজের প্রতিনিধি কিছু খুঁজছিলেন..
পেলেনও,একটুকরো কাগজ,একটুকরো সাদা কাগজ,পুরো সাদা নয় কিছু নীলের ছিটেতে আঁকা কটি কথা.

"স্বর্গীয় নুনুর ডগায় লাল কালি লাগিয়ে
ধ্বংস লিখবেন খেয়ালী ঈশ্বর
গলবস্ত্র হয়ে জোড়হাত পেতে বসে আছি
যদি রক্তমেশানো কৃপা-মুত্রের পাত্তা নেই

এখানে ধ্বংসের পাহাড়ে হাড়গোড়ের
স্তুপে একটাও দধীচিমার্কা নেই

শুধু কিছু অশক্ত বিশ্বাসের ভক্তিবমি
কিছু আস্তিক কুকুরে চাটছে

উচ্ছিষ্টটা তোমার জন্যে তোলা থাকলো ঈশ্বর-বাবু

ধ্বংসের বুকনি ভুলে
এখন নিজের পুনর্মুষিক ভব দেখে
থরথর কাঁপ অস্তিত্বহীন.."

পড়া হলো..এখন কাব্যের ঈশ্বর থরথর করে কাঁপছেন..
হিস্টোরিক রোগীর মত নড়েনড়ে উঠছে তার লক্ষকোটি বছরের পুরানো কাঠামো.গলে গলে পড়ছে কবিতার শাক দিয়ে ঢাকা মাছের শরীর..আঁশটে গন্ধে ভরে যাচ্ছে বাতাস..মিলিয়ে যাচ্ছেন,একটুএকটু করে মিলিয়ে যাচ্ছেন ঈশ্বর,ক্ষয়ে যাচ্ছেন কবি..নুনুর লাল রঙ মিলিয়ে যাচ্ছে মাটিতে…
চারিদিকে শুধু অসংখ্য মাথার সারি.নারী নেই,পুরুষ নেই,ধর্ম নেই,দেশ নেই,জাতি নেই,দামী নেই,পাতি নেই,শ্লীল,অশ্লীল কিচ্ছু নেই.শুধু মাথা আর  মাথা..আর অগনিতচোখ,আনন্দে খুশিতে জ্বলজ্বল করছে..
ক্রমশ ..

No comments:

Post a Comment