বিরহ আমার ক্যায়োটিক।হায়রোগ্লিফিকের উপর আদিম শ্যাওলার মত ,সেই কবে থেকেই জিয়ানো আছে।
আমিও ফুলবনে হনুর বালখিল্যে তাকে অফুরান ভাবি আর মনে মনে শরীর হই। আমার আলু না তার আলোর দোষ ,কে জানে!
আমার অস্তমিত সুর্যপরাগের মত কনফিউজড জোনাকির পাছায় আটকে থাকা হৃদয় ,আমার দেহপসারিণীর উঠানের মাটির চ্যাঙ্গরের মত ক্ষনপ্রয়োজনীয় শরীরিবিন্যাস,আমার ঢ্যামনা পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের মত আপাতসুন্দর আবহবিকার ,আমার সদ্য থাপ্পড়ে জ্ঞানলব্ধ পুনর্বিবেচনা ,কোনটাকে দেখনসই কভার পিকচার করি,বলুন তো?
আমি কি মরণোন্মুক মাকড়শা নাকি অষ্টধাতুর আংটি বিক্রি করা ভাতারখাকীর ভাতা ,না বেশ্যাসক্ত পদ্যকার যে ভেউ ভেউ করে রিকশাওয়ালার ছা পোষা হর্নের ভাত মারছি!
তারচে চল হে,হরিদাস পাল নামক খুঁতো শাহেনশাহ ,কুঞ্চিত কেশদামের সামনে স্রাষ্টাঙ্গে চিত হয়ে পড়ে থাকা বলিপ্রদত্ত অসময়ী পাঁঠা,চল ,বৃষ্টিতে ভিজে রক্তশুন্য হই।স্বপ্নের ঠিকানার নিচের কলামে প্রযত্নে ফ্যালাসিসর্বস্ব মহাকাব্যিক কুটকুটি লিখে দিয়ে আসি। বৃষ্টি তো নাদান ,সে ইতিহাসের বারবেলা জানেনা ,উঁচুনিচু জানেনা না ,দ্যাখো, দুর্গামন্ডপ আর সাঁওতালনীর দেশীমদের ঝুপড়ি ক্যামন একসঙ্গে ভিজছে ,দ্যাখো ,
ওইযে পুরু চামড়া ,ওইযে চুলকানীসর্বস্ব ব্যাকসিটে জেন্টল্ম্যানিস স্ট্যাম্প ,একটু একটু করে পচে উঠুক ,গলেগলে ঝরেঝরে পড়ে যাক। এবার ফলন কম হয়েছে গো। চল ,বরং পিঁপড়ের খাবার হই। চল না ,দেখে আসি ,ও ঠোঁটেও অর্গাজম আছে কি নেই।
তারপর যদি হাতে পেনসিল ছাড়া আর কিছু থাকে ,তখন উচ্ছিষ্ট নিয়ে রাজপথে নামবো। সমস্ত বিয়ারের ফেনা এক গ্লাসে জড়ো করবো।তখন বরং আবার তোমাকে চাই …তোমাকে চাই …তোমাকে চাই…বলে টুঁটির মা কি আঁখ করে দিয়ে চেল্লানো যাবে!!
No comments:
Post a Comment