সময়ে অসময়ে ঠিক বাঁশি বেজে ওঠে। তেলকাজল মাখানো স্বপ্নের অপমৃত্যু হয় বাঁধাধরা নিয়মেই,বিনা নোটিসে প্রবল জলোচ্ছ্বাস এসে পার ভাঙতে শুরু করলেই আমরা কাউন্টডাউন শুরু করে দিই। যেমন ধরো ,কোন পাখির নাম মন আর কখনো কখনো শ্যাওলার নাম দিন রাখি ,তবুও বাঁশি কিন্তু বেজেই ওঠে ,বেহাগে ,কোমলে,কাহারবার আনমনা চিবুক ছুঁয়ে ,মেঘমল্লারের ভাসান দেখতে দেখতে বেজেই ওঠে বাঁশি।
বাজুক বাঁশি ,পিপ পিপ করে চৌকিভোলা রাতের মত বাজুক,পেনাল্টির আগে টিনেজ আশার বুক কাঁপিয়ে ফুররররররর করে বাজুক ,দিকন্তে বিলীন হবার আগে কাটোয়া বর্ধমান লোকালের কুউউউউউউ থেকে টিপ করে "যেওনা" পাঠানো অপেক্ষারতা ছাতার হৃদয়ে বাজুক। যেমন ভাবেই হোক,আস্তে আস্তে চেপে রাখা গোপন ফাইলের মত বা ভাঙ্গা কাঁসরের মত হেঁকে যাওয়া ফেরিওয়ালার দুপুরের মত ,কিন্তু রোজই তার বেজে যাওয়া চাইই চাই।
ও বাঁশি,আমাকে আদর কর,আমাকে চাবুকদাগের পিঠ দে,কানের নিচে বাজিয়ে দেওয়া জন্মগত থাপ্পড় দে ,বিষের মত আগুন আগুন হিংসে দে ,দলাদলির যূপকাষ্ঠে ধানজমিতে পড়ে থাকা প্রিয়জনের লাশ দে,
আমি তো একান্তেই চাইছি সেই অপার্থিব হিসহিসের আগে দৌড়বাজ ইদুরের নগন্য খুদ-জন্ম।
No comments:
Post a Comment