চলো পাথর ,সশরীরে যাই। হীন হই,দীনের চেয়েও দীনতর হই।চলো ,রক্তশুন্যতা কাটিয়ে ওঠা বলদায়ক কিছু স্বপ্ন খাই। চলো,ডিঙ্গিয়ে যায় রুমাল,বিকেল,নখ,পড়শি স্বপ্নের পাড়াও ,চলো ,লালের ভিতরে থেকে লালিত্য মুছে দিয়ে শুধু চাওয়া পাওয়ার ডুমোডুমো ,চাকাচাকা টোপগুলোকেই ক্ল্যাসিফাই করি। চলো,লাইন হোটেলে পেট চেপে শুয়ে থাকা ট্রাক ড্রাইভারের থেকে রোমন্থন শিখি। চলো না,কিছু চালিয়াত শব্দকে ধরেবেঁধে কিছু মারকাটারি রক্তস্বাক্ষর দিই।
স্বপ্নের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ব্যালে করছে আকাশ ,আর পৃথিবীর সমস্ত অচেনা আর আধাচেনা মেয়ের নাম কিকরে ব্যালেরিনা হয়ে যাচ্ছে! সামনে সুবেশী বাইকআরোহী যুবক,হর্ন বাজছে ,কোন পেশী কতোখানি কুঁচকে যাচ্ছে ,অনুবাদে খুশী নাকি ভয় ,নাকি চিরঅচেনা কি হয় কি হয়!
চলো পাথর,একবার শরীরসহ ঘুরে আসি। কত ট্রেনের শান্টিংএর দীর্ঘায়িত কুউউউউউ যেখানে কোকিল হয় ,যেখানে পায়ের কাছে অজস্র মাথার খুলি ,স্টেশনে বসেই অদ্ভুত মশলসদার সরবত বিলোচ্ছে প্রাক-পুজার আহট ,আর জমানো অগুনিত হাড়ে আমার মত বৃথা রাগের কাহিনী ,
চলো পাথর ,অবহেলার কাঁদোড় সাঁতরে পার হই ,চলো ,মামাবাড়ি যাই।
No comments:
Post a Comment